পিরামিডের আসল রহস্য


পিরামিড! নাম শুনলেই মনে পড়ে মমি, নীলনদ, আর বড় বড় মূর্তির কথা। মিশরের পিরামিড প্রাচীন বিশ্বের সপ্তাশ্চর্যের মধ্যে প্রাচীন এবং অন্যতম একটি। 

মিশরীয়দের মধ্যে মৃত্যু নিয়ে নানা কুসংস্কার ছিল। তারা মৃত্যুর পরের জীবনকে উপভোগ করতে তৈরি করত পিরামিড। দেহ যাতে পচে না যায় এজন্য মমি করে পিরামিডে রাখা হত। আসলেই কি তাই?

আজ থেক প্রায় ৪০০০ হাজার বছর আগে থেকে মিশরিয়রা অন্যান্য সভ্যতার তুলনায় অনেক বেশি শিল্প এবং কীর্তি রেখে গেছে। কিন্তু এই শিল্পগুলির পেছনে অনেক রহস্য রয়েছে। যেমনঃ এলিয়েনের উপস্থিতি, পিরামিডের সাথে আকাশের তারার এলাইনমেন্ট, পিরামিডের ভেতরে নেচারাল এসি থাকা যা কিনা পিরামিডের ভেতরের টেম্পারেচার কে ২০ ডিগ্রী রাখে। এইসকল কারন এখনো বিজ্ঞানীদের নিশ্চিন্তে থাকতে দেয় না। সবচেয়ে বড় রহস্য হল এই স্ট্রাকচার গুলো বানানো হলো কিভাবে। এইগুলা কি মিশরীয়রাই বানিয়েছে, নাকি অন্য কেউ? হাজার হাজার বছড় আগের মানুষের বানানো কিছু শিপ্ল বর্তমান সময়ের থেকেও বেশি এডভান্স। বর্তমানের কিছু মানুষের বিশ্বাস এইগুলি এলিয়েনদের কারসাজি। তাদের মতে প্রাচিন সময়ে এলিয়েন পৃথিবীতে এসেছিলো, এবং তাদের অস্তিত্বের কিছু প্রমান তারা এই পৃথিবীতে রেখে গেছে। তা এইগুলো কতটুকু সত্যি, তা আমরা আলোচনা করবো।  


পিরামিড

পিরামিডকে বহুবছর ধরে স্টাডি করা হচ্ছে। সব ধরনের টেকনোলজি দিয়ে বোঝার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু আজও এর একাধিক রহস্যর সমাধান পাওয়া যায়নি। এর একেকটি পিস একসাথে কিভাবে নিয়ে আসা হয়েছিলো, কোন্ ধরনের কনক্রিট ব্যবহার করা হয়েছিলো, এর গঠন এতটা পারফেক্ট কি করে? মেশিন ও টেকনোলজি ছাড়াই এরকম স্ট্রাকচার বানানো ৪ হাজার বছর আগে সাইন্টিফিকেলি ইম্পসিবল। 

মিশরীয় শ্রমিক

শুধুমাত্র ১ টি পিরামিডেই ২৩ লক্ষ লাইন স্টোনের ব্লকের ব্যবহার করা হয়েছে। এই পাথর গুলোকে এক জায়গা থেকে অন্যজায়গায় নিয়ে যাওয়াটাই ভীষণ কঠিন। আর সেই পাঁথরগুলো দিয়েই পিরামিড বানানো হয়েছে। পিরামিডের একেকটি পাথরের ওজন ২,৭০০ থেকে ৭০,০০০ কেজি। বর্তমান সময়ে যেই ক্রেনস গুলো হয়, মানে যেই ক্রেনস গুলো বড় বড় বিল্ডিং তৈরি করতে কাজে লাগে, এইগুলো সাধারনত ২০,০০০ কেজির বেশি অয়েট তুলতে পারে না। 


যদি আজকের দিনে ২০,০০০ কেজি তোলা এতটাই কঠিন হয়, তাহলে তখনকার দিনে এত বড় বড় পিরামিড কিভাবে তৈরি হলো? আজ থেকে ৪ হাজার বছর আগে তারা ৭০,০০০ কেজি ওজনকে কিভাবে ট্রান্সফার করলো কোন মেশিনের সাহায্য ছাড়াই?

এর একটা উত্তর আছে। হয়তো আপনাদের অনেকেরই বিশ্বাস হবে না। এলিয়েন!


একথা আমি বলছিনা। বলছে অসংখ্য কন্সপিরেসি থিওরি এবং অসংখ্য বিশেষজ্ঞ। শুধু বলছেই না, অসংখ্য ব্যাখাও রয়েছে তাদের কাছে। সেগুলো একেক করে আমরা সবগুলোই জানবো।

Orion Correlation Theory

পিরামিড কে নিয়ে একটি থিওরি রয়েছে। একে Orion Correlation Theory বলা হয়। রাতে পিরামিডকে দেখলে বোঝা যাবে যে পিরামিড আকাশে ৩ টি তারার সাথে এলাইন করে। 

আকাশের এই কন্সটালেশনের নাম অরিয়েন বিল্ড। এর অরিয়েন বিল্ডের ৩ টি তারা রয়েছে। তারা ৩ টি হলোঃ

১। এলাইনটেক

২। এলাইলাম

৩। মাইন্টেকা




পিরামিডের পজিশন এবং এই ৩ টি তারার পজিশন পুরো এক। এই থিওরি কে দেখে অনেক থিওরিস্ট মনে করেন, সেই সময় এলিয়েন পৃথিবীতে এসেছিলো, আর নিজেদের সাথে এডভান্সড টেকনোলজি নিয়ে এসেছিলো, যার সাহায্যেই এই পিরামিডগুলো বানানো হয়েছিলো। আর এই এলিয়েন গুলো এই ৩ টি তারার মধ্য থেকেই এসেছে। কেউ সিউরলি বলতে পারবেনা পিরামিডকে মানুষ না এলিয়েন বানিয়েছে। কিন্তু একটি বিষয় সিউর যে পিরামিড আর এই ৩ টি তারার মধ্য কিছু না কিছু সম্পর্ক নিশ্চয় রয়েছে।

Tunnels in Pyramids 

পিরামিড সব দিক থেকেই রহস্যময়। পিরামিডে থাকা টানেলস গুলি সব থেকে বেশি রহস্যে ভরা। পিরামিডের জায়গায় জায়গায় টানেলস রয়েছে। প্রথম দিকে মানুষ ভাবতো এইগুলি ভেন্টিলেশনের জন্য বানানো হয়েছিলো যাতে হাওয়া পিরামিডের মধ্যে ঢুকতে পারে। কিন্তু যখন একটি ক্যামেরা রোবট কে এর ভেতর ঢুকানো হয়, তখন এই ভুল ধারনা ভেংগে যায়। রোবটটির ক্যামেরার সাহায্যে দেখা যায়, প্রত্যেক টানেলের শেষে একটি করে দরজা রয়েছে। পিরামিডের মধ্য ৩ টি ডিস্কভার চেম্বার রয়েছে।



নিচের টা হলো বেস চেম্বার, তার ওপরের টা হলো কুইন্স চেম্বার,সব থেকে ওপরে কিংস চেম্বার।

যদি আপনি ছবিটির লাল মারক করা রাস্তা দিয়ে আসেন, তাহলে ভেতর দিয়ে ৩ টি চেম্বার কে এক্সপ্লোর করতে পারবেন। আর যদি সবুজ মারক করা রাস্তা দিয়ে ঢোকেন, তাহলেও ৩টি চেম্বারকেই এক্সপ্লোর করতে পারবেন। কিন্তু আজ অব্দি কেউ এই ৩ টি চেম্বারকে এক্সপ্লোর করতে পারেনি। আর এখানে আমি শুধুমাত্র ডিস্কভারড চেম্বার বলেছি। মানে যেই চেম্বারগুলো সম্পরকে শুধুমাত্র আমরা জানি। এর মধ্যে আরো কত চেম্বার রয়েছে, যার কোন হিসেব ই নেই। 

Star Shaft Theory 
মানা হয় এই টানেলগুলোকে বানানো হয়েছিলো কারন, তখনকার সময়ে মানা হত চেম্বারে থাকা রাজার মৃতদেহ রাখলে তার আত্না টানেলগুলোর মধ্য দিয়ে মহাকাশে তারাগুলোর মধ্যে গিয়ে পৌঁছাবে। এইটাকে পিরামিডের Star Shaft Theory বলা হয়।

যখন কুইনস চেম্বারে ক্যামেরা পাঠানো হয়, তখন দেখা যায় দরজার মত একটি পাথর, যার ওপর মেটালের পিন লাগানো ছিলো। এগুলোকে এমন ভাবে বানানো হয়েছে যে, কেউ এর মধ্যে যেতে পারবে না। হয়তো এর মধ্যে আরো একটি চেম্বার রয়েছে, যার সম্পর্কে আমাদের কোন ধারনাই নেই।

এই দরজার পিছনে কি আছে তা জানার জন্য বিজ্ঞানীরা নতুন প্রযুক্তির ড্রিল মেশিন দ্বারা ফুটো করে, তারপর সেই চেম্বারে একটি ক্যামেরা পাঠিয়ে দেয়। ক্যামেরাটি পাশের ছবিটি তুলে, তারপর ভিতরে যাওয়ার আগেই ক্যামেরাটি রহস্যময় ভাবে ভেংগে যায়। এই ঘটনার পর সেখানকার সরকার আর কাওকে পারমিশন দেয় নি পিরামিডের রহস্য ভেদ করবার জন্য। 

কন্সপিরেসি থিওরির মতে এই টানেলগুলি আসলে বাইরের জগত থেকে আমাদের পৃথিবীর যোগস্থল। মানে এই টানেলগুলির মাধ্যমে মিশরীয় রাজারা বা এলিয়েনরা পৃথিবীতে যাতায়াত করতো, এবং পিরামিড এই কারনেই বানানো হয়েছিলো। 

পিরামিড তৈরির আসল কারন কি? 

আজ পর্যন্ত আমরা এটাই জানি যে প্রাচীন মিশরীয়দের রাজা এবং রানীদের কবরের জন্য এই পিরামিড বানানো হয়েছিলো। তাদের মৃতদেহ সাদা কাপর দিয়ে বেধে মমি বানিয়ে এই পিরামিডের মধ্যে রেখে দেওয়া হতো। কিন্তু আজ অব্দি একটি মমিও পিরামিডের মধ্যে পাওয়া যায় নি। এখনো অব্দি পিরামিডের পুরোটা এক্সপ্লোর করা হয় নি। কিন্তু যেটুকু এক্সপ্লোর করা গেছে, তাতে একটা মমিও পাওয়া যায় নি। কিংস চেম্বারে কিং এর মমি বা কুইন্স চেম্বারে কুইন এর মমি এখনো অব্দি পাওয়া যায় নি। এই সবকিছু দেখে অনেকে মনে করে, হয়তো পিরামিড রাজা বা রানির কবরের জন্য বানানো হয় নি। হয়তো অন্য কারন রয়েছে পিরামিড বানানোর।

পিরামিড এত পারফেক্ট কিভাবে?

পুরো পৃথিবীর মিড পয়েন্টে রয়েছে মিশরের পিরামিড। এটা একটা কাকতালীয় ঘটনাও হতে পারে। কিন্তু যদি কাকতালিও ঘটনা না হয়, তবে তখনকার মানুষ কিভাবে বুঝেছিলো পৃথিবীর মিড পয়েন্ট কোনটি? এটা ৪ হাজার বছর আগে বোঝা অসম্ভব। এটা কি সম্পূর্ণই কাকতালিয় ঘটনা? নাকি তাদের কাছেও বর্তমান সময়ের প্রযুক্তি ছিলো?

পিরামিড তৈরির পাথর     

যে পাথর দিয়ে পিরামিড তৈরি হয়েছিলো তা সাধারন পাথর থেকে হাজার হাজার গুন বেশি মজবুত। বিজ্ঞানীরা এই পাথরকে এনালাইস করেছেন এবং তারা আজও বুঝতে পারে নি আসলে এইগুলো কি। এই পাথরগুলি লাইনস্টোনের মত দেখতে, কিন্তু আসলে লাইনস্টোন নয়। পৃথিবীতে এমন পাথর আর কোথাও পাওয়া যায় নি। 

পিরামিড তৈরির প্রযুক্তি

পিরামিডের একটি বিশেষ ব্যাপার, পিরামিড বানানোর জন্য  Ball and Socket নামক কন্সট্রেকশন ব্যাবহার করা হয়েছে। মানে গরমের সময় যখন পাথর আকারে বড় হয়ে যায়, সেইটা পিরামিড সহ্য করে নেয়, এবং সাথে সাথে ভুমিকম্প সহ্য করে নেয়। ভাবুন, এই টেকনোলজি, তাও আবার ৪ হাজার বছর আগে। 

পিরামিডে নেচারাল এসি 

মরুভুমি পিরামিডের খুবই কাছে রয়েছে। সেখানকার গরম আবহাওয়া, পিরামিডের আশেপাশের আবহাওয়াকে ভিষন গরম করে। কিন্তু পিরামিডকে এমন ভাবে বানানো হয়েছে যে বাইরে যত গরম থাকুক না কেনো, পিরামিডের ভিতরে ২০ ডিগ্রী সেলসিয়াস থাকে, যা কিনা মানুষের জন্য আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি করে। এটাকে আপনারা ৪ হাজার বছর আগের নেচারাল এসিও বলতে পারেন। এত সব ফেক্টস, এইগুলো কি শুধুই কাকতালিয় ঘটনা? নাকি এর পেছনে কোন ইন্টেলিজেন্ট প্রানীর হাত আছে, যারা আমাদের পৃথিবী সম্পর্কে আমাদের থেকে বেশি জানতো?

মিশরে এলিয়েনের চিত্র

মিশরে যত ঘুরার মত জায়গা আছে, সব জায়গায় এই অদ্ভুদ সব চিত্র রয়েছে। 

চিত্রটি লক্ষ্য করুন, সেখানে বড় বড় হাত চোখ বিশিষ্ট প্রানীটিকে এলিয়েনের মত মনে হচ্ছে, কিন্তু উচ্চতায় খাটো, যেম একদম মডার্ন এলিয়েন ডেপিশিয়েনের মত।


এই চিত্রটিকে দেখুন, একদম মডার্ন ইউএফও এর মত লাগছে কিনা? এইসব কারনেই কিছু লোক বলে পিরামিডকে এলিয়েন বানিয়েছে, এতে মানুষের কোন হাত ই নেই। 

এই থিওরি কতটা সত্যি সেটাতো কেউ ই বলতে পারে না। পিরামিডের সাথে তারার যে সিংক বা যে এলাইন দেখা যায়, তা এরিয়াল ভিউ বা ওপর থেকে না দেখলে নির্দিষ্ট করা সম্ভব নয়। আর ৪ হাজার বছর আগে ড্রোন বা হেলিকপ্টার তো ছিলো না। তাহলে মাটিতে বসেই এমন পারফেক্ট এলাইন হলো কি করে? শুধুমাত্র স্পেসশিপ দিয়ে এলিয়েনরাই এই এলাইন নির্দিষ্ট করতে পারতো। 


Amazing Sun Alignment of Pyramids

প্রত্যেক বছর ২১ জুন সবথেকে বড় দিন এবং সবথেকে ছোট রাত হয়। এইদিন সন্ধ্যাবেলায় আপনি যদি রেড পিরামিড দেখেন, তাহলে দেখতে পাবেন পিরামিডের ঠিক মাঝখান থেকে সিংহের মাথার ওপর থেকে সূর্যকে ঠিক এমন ভাবে দেখায়। ৪ হাজার বছর আগে এতকিছু মাথায় রেখে পিরামিড বানানো মানুষের পক্ষে কি আদৌ সম্ভব? 


Dendera Light

মিশরে একটি ডেন্ডেরা নামক জায়গা রয়েছে। সেখানে একটি মন্দির রয়েছে যার নাম ডেন্ডেরা লাইট কমপ্লেক্স। সেখানকার মানুষেরা এই মন্দিরটি নিজেদের ঈশ্বরের জন্য বানিয়েছিলো। এই ঈশ্বরের নাম ছিলো হেথর। এটি মিশরের সব থেকে রহস্যময় মন্দির। এই মন্দিরের অরধেকটা বালিতে ঢেকে ছিলো, কিন্তু ১৮৫০ সালে এই কমপ্লেক্স কে পুরোপুরি পরিস্কার করে দেয়া হয়। তারপর অনেক রহস্য সামনে আসে। বিজ্ঞানিদের সামনে এই ছবিটি আসে।



ক্রুব টিউব
পুরো মিশরে এমন একটাই চিত্র রয়েছে। এই চিত্রকে ডেন্ডেরা লাইট বলে। এই চিত্রে বাল্ব এর ছবি রয়েছে। আজ থেকে ৪ হাজার বছর আগে বাল্ব এক আশ্চর্য বিষয়! আর এই বাল্ব রাতে পিরামিড বানানোর কাজে লাগতো। 

বর্তমান পৃথিবীতে ক্রুব টিউব বলে একটি বাল্ব হয়। বাল্ব এর ছবির সাথে ওপরের চিত্রের মিল রয়েছে।






এর নিচের দিকে একটি পদ্ম ফুলের মত চিত্র রয়েছে যা আজকের দিনের সকেরটের মত। আর নিচে একটি তার আসছে, আজকের দিনের তারের মত, যেগুলো কিনা সত্যিকারের বাল্ব এ থাকে। সুইজারলেন্ডের মিস্ট্রি পার্ক এ ঠিক এই বাল্ব এর মডেল দেখতে পারবেন।

৪ হাজার বছর আগে বাল্ব, ইলেকট্রিসিটি, ভাবলেও কেমন অবাক লাগে! 


The Great Sphinx

এটি একটি স্টেচু, যার মাথা মানুষের মত, কিন্তু শরীরের স্ট্রাকচার মানুশের মত নয়, একটি সিংহের মত। এটি পুরো মিশরের সবচেয়ে বড় রহস্যময় স্ট্রাকচার। বহু রিসার্চ এর পরেও জানা যায়নি এই স্টেচু কেনো বানানো হয়েছিলো। এটি ইতিহাসের সবচেয়ে সিংগেল স্টোনের বড় স্টেচু। এই স্টেচু ৭৩.৫ মিটার লম্বা এবং এর ওপরের উচ্চতা ২০ মিটার। সবথেকে আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, এই স্টেচু পারট পারট করে বানানো হয়নি। এটি একটি বড় লাইন স্টোন পিচ কে ভেংগে ভেংগে আকার দেওয়া হয়েছিলো। এই কারনে এই স্টেচুকে পৃথিবীর সব থেকে বড় সিংগেল স্টোন স্টেচুর লিস্টে রাখা হয়েছে। 


বছরের পর বছর এই স্টেচু বালির নিচে ঢাকা ছিলো। ১৯০০ সালে এর ওপর থেকে বালি সরিয়ে দেওয়া হয়, এবং তখন এর পুরো স্ট্রাকচারটি বোঝা যায়। এটি অনেক সুন্দর ছিলো, কিন্তু হাজার হাজার বছির ধরে ক্ষয় হয়ে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। থিওরি অনুযায়ি ৪ হাজার বছর আগে স্টেচুটি এমন দেখতে ছিলো। 




দেখেই কেমন রহস্যময় মনে হচ্ছে তাই না? এটাতো কিছুই না। আসল রহস্য তো এর নিচে। প্রথম দিকে গ্রাউন্ড গ্রেডার থেকে জানা যায় যে এর ভেতরে ২ টি খালি স্থান রয়েছে। এইটা পুরো বর্তমান কালের আন্ডারগ্রাউন্ড সিটির মতো। ১৯৯৫ সালে যে শ্রমিকগুলো এই স্টেচুকে রিনোভেন্ট করছিলো, তারা হঠাত করে অনেকগুলো টানেলস কে ডিসকভার করেছিলো। তার মধ্যে পুরো টানেল পুরোপুরি স্টেচুর নিচের দিকে চলে গেছে। হয়তো এর নিচে একটি গোটা সভ্যতা রয়েছে! 


পিরামিডকে এখনো সম্পূর্ণ এক্সপ্লোর করা বাকি আছে। এর ওপর যখন কোন রিসার্চ হবে বা কোন রহস্য ভেদ হবে, আমি আবারো আপনের কাছ তুলে ধরবো।

ধন্যবাদ।

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ