জ্যাক দ্য রিপার - এক রহস্যময় সিরিয়াল কিলার
১৮৮৮ সাল। ভিক্টোরিয়ান যুগ। লন্ডন শহরের ইস্ট এন্ড স্ট্রিটের হোয়াইটচ্যাপেল। সময়ের সাথে শহরে বেড়ে চলেছে জনসংখ্যার চাপ। তবুও থেমে নেই ইউরোপের নানা প্রান্ত থেকে এসে হাজির হওয়া অভিবাসীদের ঢল। তাদের মাঝে বেশীরভাগই ছিল দরিদ্র ইহুদী। এ অঞ্চলে পুরুষদের ছিনতাই, চুরি ডাকাতি অন্যদিকে নারীদের জন্য পতিতাবৃত্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে জীবিকার প্রধান মাধ্যম। এই সময়টিতে ইস্ট এন্ড এর অলিতে গলিতে প্রায় ৬২ টি পতিতালয় গড়ে উঠেছিল, যেখানে জীবিকার তাগিদে প্রায় ১২০০ নারীকে নামতে হয়েছিল এ অন্ধকার পথে।
৩১ আগস্ট। বাকস রো যেটি বর্তমানে ডারওয়াল্ড স্ট্রিট নামে পরিচিত, ঠিক এই জায়গাটিতে থাকতেন ম্যারি অ্যান নিকোলস। জীবিকার তাগিদে তাকেও নামতে হয়েছিল দেহ বিনিময়ের ব্যবসায়। সেদিন রাতেও তিনি অপেক্ষা করছিলেন খদ্দেরের আশায়। একজন খদ্দের পেয়েও যান। এই খদ্দেরের হাতেই নির্মম ভাবে খুন হন ম্যারি অ্যান নিকোলস। যখন মৃত অবস্থায় ম্যারি অ্যান নিকোলসকে পাওয়া যায়, তখন দেখা গেল তার মুখ বাজে ভাবে থেঁতলে বিকৃত হয়ে আছে, গলায় দুবার ছুরি চালানো হয়েছে। একই সাথে ছুরি চালিয়ে তলপেটের নিচের অংশ উপড়ে ফেলা হয়েছে। এমন বর্বর বীভৎস হত্যাকান্ডে ভাষা হারিয়ে ফেলে লন্ডনবাসী।
অ্যান নিকোলসের হত্যাকান্ডের এক সপ্তাহ যেতে না যেতেই দ্বিতীয় হত্যাকান্ডটি ঘটলো। এবারের শিকার হানবুরি স্ট্রিটের অ্যানি চ্যাপমান। ৮ সেপ্টেম্বর যখন তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় তখন দেখা গেল যথারীতি তার গলায় এমনভাবে ছুরি চালানো হয়েছে যে, মাথাটি দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবার মত হয়ে আছে। অন্যদিকে পেটে গভীর ক্ষত, সেখান থেকে পাকস্থলি উপড়ে ফেলা হয়েছে। হত্যাকারী অ্যানি চ্যাপমানের পেটের চামড়া এবং নাড়ি তার দুই কাঁধের ওপর রেখে দিয়ে গেছে এবং এবারও তলপেটের নিচের অংশ উপড়ে ফেলা হয়েছে।
১৮৮৮ সালের ৩০শে সেপ্টেম্বর। একই দিনে দুটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। এলিজাবেথ স্ট্রাইড ও ক্যাথরিন এডোস।
রাত ১ টার দিকে প্রথমে এলিজাবেথ স্ট্রাইডের মৃতদেহ পাওয়া যায় বার্নার স্ট্রিটে। দেখা গেল এবারো হত্যাকারী শিকারের গলায় ছুরির আঘাত বসিয়েছে। যখন এলিজাবেথ স্ট্রাইডের কাছে পৌঁছানো হয় তখনো তার গলার ধমনী হতে রক্ত ঝরছিল।
রাত ১ টার দিকে প্রথমে এলিজাবেথ স্ট্রাইডের মৃতদেহ পাওয়া যায় বার্নার স্ট্রিটে। দেখা গেল এবারো হত্যাকারী শিকারের গলায় ছুরির আঘাত বসিয়েছে। যখন এলিজাবেথ স্ট্রাইডের কাছে পৌঁছানো হয় তখনো তার গলার ধমনী হতে রক্ত ঝরছিল।
সে রাতেই ৪৫ মিনিট বাদে মাত্র কয়েক মিনিটের হাঁটা পথের দূরত্বে ক্যাথরিন এডোসের মৃতদেহ উদ্ধার করা হলো। দেখা গেলো মৃতদেহের দুটি চোখের পাতা, নাক এবং ডান কানটি কেটে ফেলা হয়েছে। তার জরায়ু এবং কিডনি উপড়ে ফেলা হয়েছে। এবারো নারীটির নাড়ি তার কাঁধের ওপর ফেলে রাখা হয়েছে।
তবে এবার যে বিষয়টি সামনে এলো সেটি হলো, হত্যাকারী রক্ত দিয়ে ঘরের দরজা পর্যন্ত অনুসরন করার মত স্পষ্ট চিহ্ন রেখে গেছে। রক্তের চিহ্ন ধরে যখন দরজা পর্যন্ত পৌঁছানো হলো দেখা গেলো সেখানে চক দিয়ে লেখা আছে, “The Jewes are not the men to be blamed for nothing”। কোন অজানা কারণে মেট্রপলিটন পুলিশের প্রধান স্যার চার্লস ওয়ারেন সেটি মুছে ফেলার নির্দেশ দেন। ফলে বলা যায় এ রহস্যময় খুনির ধাঁধা সমাধানের একটি মূল্যবান সূত্র সেখান থেকেই হারিয়ে যায়, বা নষ্ট করে দেওয়া হয়।
নভেম্বরের ৯ তারিখ। এবারের শিকার ছিল ২৫ বছর বয়সী রূপবতী যুবতী মেরি ক্যালি। মেরিকে যখন বেলা ১১ টার দিকে তার ঘরে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় তখন সে ঘরের অবস্থা ছিল ভয়াবহ। রিপারের এবারের বর্বরতা আগের সবগুলিকে ছাড়িয়ে গেছে। মেরিকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে, তার নাক, স্তন এবং হৃদপিন্ড কেটে টেবিলে রাখা হয়েছে। তার নাড়ী দিয়ে মালা বানিয়ে দেওয়ালে টানিয়ে রাখা একটি ছবিতে পরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সারা শরীরে ক্ষত-বিক্ষত হয়ে আছে অজস্র আঘাতের চিহ্নে।
প্রথম চারটি খুনেই গলায় বাম থেকে ডানে কেটে ফেড়ে দেওয়া হয়েছিল। পঞ্চম লাশের অবস্থা এতই খারাপ ছিল যে তা শনাক্ত করা যায়নি। তলপেটের অঙ্গগুলির কেটে ফেলারও সাদৃশ্য পাওয়া গেছে। তাই তদন্ত দল এটা একজনের কাজ বলেই মনে করে তদন্ত করেছে। এত নিখুঁতভাবে অঙ্গগুলো কাটা হয়েছে, তাই এটি মেডিকেল প্রফেশনের কেউ করেছে বলে মনে করা হয়।
ক্যানোনিকাল ফাইভ হত্যাকাণ্ডগুলো রাতে, সাপ্তাহিক বন্ধের দিন, এক সপ্তাহ অথবা এক মাস পরে সংগঠিত হয়। এর পরেও আরও ছয়টি খুন হয় যেগুলোর সাথে রিপারের খুনের ধরণ না মেলায় এগুলোকে বাদ দেওয়া হয়েছে। যদিও এই এগারোটি খুন কাছাকাছি সময়ে হওয়ায় এগুলোকে রিপারের খুন বলেই ধারণা করা হয়। এর মাঝে আছে মার্থা টাব্রাম, এলিস ম্যাকেঞ্জি, ফ্রান্সেস কোলস খুন।
এবারের ঘটনার পর লন্ডন শহর ক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে। বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করেন পুলিশ প্রধান স্যার চার্লস ওয়ারেন। হতভাগ্য মেরিই ছিলেন জ্যাক দ্যা রিপারের শেষ শিকার। তার ত্রাসের রাজত্ব এরপর হঠাৎ করেই মিলিয়ে যায়, ঠিক যেভাবে এটি শুরু হয়েছিল। কিন্তু এই হত্যাকাণ্ডগুলোর পর লন্ডনে কোন খুন হলেই সবাই ধরে নিত যে এটা জ্যাক দ্যা রিপারের কাজ। পুলিশ আদাজল খেয়ে মাঠে নামে। একটি বর দল এই খুনের তদন্তে নামে। প্রায় ২০০০ ব্যাক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, ৩০০ জন লোকের উপর তদন্ত করা হয় এবং ৮০ জনকে গ্রেফতার করা হয় এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য সমাধান করার জন্য। হোয়াইট চ্যাপেলের সিআইডি পুলিশ, লন্ডন সিটি পুলিশ আর নামকরা স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডও এর কূল কিনারা করে উঠতে পারেনি।
কে হতে পারে জ্যাক দ্যা রিপার?
জ্যাক দ্যা রিপার তদন্ত কার্যক্রমের প্রথম সন্দেহভাজন হিসেবে যে নামটি আসে সেটি হলো উইলিয়াম হেনরি। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল লন্ডন থেকে দূরে স্কটল্যান্ডের ড্যান্ডি শহরে স্ত্রী এলিনকে হত্যার দায়ে। জ্যাক দ্যা রিপার হিসেবে তাকে সন্দেহ করার পেছনে বেশ কিছু কারণ রয়েছে। যেমন স্কটল্যান্ডে তার বাসা থেকে কিছু গ্রাফিতি খুঁজে পাওয়া যায় যেখানে লেখা ছিল “Jack Ripper is at the back of this door”। অন্য একটিতে লেখা ছিল “Jack Ripper is in the sellar (sic)”। অনুসন্ধানে আরো বেরিয়ে আসে যে হেনরি সেই পাঁচটি হত্যাকান্ডের সময় লন্ডনের হোয়াইটচ্যাপেলেই ছিল।
বেশ কিছু কারণে হেনরিই যে জ্যাক দ্যা রিপার সেটি প্রমানেও কিছুটা ফাঁক থেকে গেছে। যেমন স্ত্রী হত্যার দায়ে তার মৃত্যুদন্ড হলেও বিচার চলাকালীন সময়টাতে সে নিজেকে বরাবরই নির্দোষ দাবী করে। তবে মৃত্যুদন্ড কার্যকরের আগের দিন সে সর্বপ্রথম নিজ দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তি প্রদান করে। কিন্তু স্বীকারোক্তির কোথাও সে নিজেকে জ্যাক দ্যা রিপার বলে দাবী করেনি বা লন্ডনের হত্যাকান্ডগুলোর ব্যাপারেও কিছু বলেনি। অন্যদিকে গোয়েন্দাগণ পরবর্তীতে জ্যাক দ্যা রিপার হবার সম্ভাব্যতা যাচাই করে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সেখানেও সে জ্যাক দ্যা রিপার হতে পারে এমন কোন সম্ভাবনা বা প্রমাণ পাওয়া যায় নি।
পরবর্তী সন্দেহভাজন হিসেবে যার নাম আসতে পারে তিনি হলেন জোসেফ বার্নেট। প্রত্যক্ষদর্শীদের দেওয়া বর্ণনার সাথে জোশেফ বার্নেটের অনেক বেশি সাদৃশ্য পাওয়া যায়। সে সর্বশেষ হত্যাকান্ডের শিকার মেরি ক্যালির সাথেই থাকত। মেরি ক্যালি মারা যাবার ১০ দিন আগে তাদের সম্পর্ক ভেঙ্গে যায়। বলতে গেলে জোশেফ বার্নেটকে জ্যাক দ্যা রিপার হিসেবে সন্দেহ করার পেছনে মেরি ক্যালির সাথে তার সম্পর্ক এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের দেওয়া বর্ণনার সাথে তার শারীরিক গড়নের মিলকেই দায়ী করা হয়। কিন্তু এর বাইরে আর কোন স্বাক্ষ্য প্রমাণ নেই যা বার্নেটকেই জ্যাক দ্যা রিপার বলে চিহ্নিত করে।
পরবর্তী সন্দেহভাজন হিসেবে যার নাম আসতে পারে তিনি হলেন জোসেফ বার্নেট। প্রত্যক্ষদর্শীদের দেওয়া বর্ণনার সাথে জোশেফ বার্নেটের অনেক বেশি সাদৃশ্য পাওয়া যায়। সে সর্বশেষ হত্যাকান্ডের শিকার মেরি ক্যালির সাথেই থাকত। মেরি ক্যালি মারা যাবার ১০ দিন আগে তাদের সম্পর্ক ভেঙ্গে যায়। বলতে গেলে জোশেফ বার্নেটকে জ্যাক দ্যা রিপার হিসেবে সন্দেহ করার পেছনে মেরি ক্যালির সাথে তার সম্পর্ক এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের দেওয়া বর্ণনার সাথে তার শারীরিক গড়নের মিলকেই দায়ী করা হয়। কিন্তু এর বাইরে আর কোন স্বাক্ষ্য প্রমাণ নেই যা বার্নেটকেই জ্যাক দ্যা রিপার বলে চিহ্নিত করে।
তালিকায় সবার উপরে যাকে রাখা যায় তিনি হলেন অ্যারন কস্মিনিস্কি। অ্যারন ছিল মানসিকভাবে অপ্রকৃতস্থ। জীবনের শেষ দিনগুলো তাকে মানসিক হাসপাতালেই কাটাতে হয়। লন্ডন পুলিশের বেশিরভাগ অফিসারই প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে অ্যারনকেই নির্দেশ করেছিল। জ্যাক দ্যা রিপারের চতুর্থ শিকার এলিজাবেথ স্ট্রাইডের মৃতদেহের পাশ থেকে একটি শাল উদ্ধার করা হয়। রক্তমাখা শালটিতে কিছু বীর্যের দাগও পাওয়া যায়। ঘটনার সময় DNA পরীক্ষা করার মত সুযোগ ছিল না। কিন্তু ঘটনার এতোদিন বাদে ২০০৭ সালে এসে সেই শালটির বীর্যের দাগ থেকে DNA পরীক্ষা করে তার সাথে অ্যারনের সম্পর্ক পাওয়া গিয়েছে, যা প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে তাকে আরো জোরালো ভাবে চিহ্নিত করছে।
তবে এক্ষেত্রেও তাকে রিপার হিসেবে অকাট্যভাবে প্রমাণের ক্ষেত্রে বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। যেমন চাদরের DNA এর সাথে অ্যারন কস্মিনিস্কির বর্তমান সময়ের জীবিত বংশধরদের ডিএনএ এর নমুনা মিলিয়ে দেখা হয়েছে। এ পদ্ধতিতে শতভাগ নিশ্চিতভাবে একক ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা সম্ভব নয়। অন্যদিকে মানসিক হাসপাতালে তার দেখভালের দায়িত্বে থাকা নার্স এবং চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে জানানো হয় সে মানসিকভাবে অপ্রকৃতস্থ হলেও জ্যাক দ্যা রিপারের মত আক্রমনাত্নক নয়। এমনকি মানসিক হাসপাতালে থাকাকালীন দীর্ঘ সময়ে সে কারো সাথে কোন বিবাদেও জড়ায়নি। ফলে নিশ্চিতভাবে এটি বলা সম্ভব নয় যে, অ্যারন কস্মিনিস্কিই জ্যাক দ্যা রিপার।
পুলিশ বিভাগের অন্যতম জনপ্রিয় তত্ত্ব হল জর্জ চ্যাপম্যান হল জ্যাক দ্য রিপার । প্রকৃত পক্ষে পোল্যান্ডের এক জন অধিবাসী ছিল চ্যাপম্যান, যার আসল নাম সেভেরিন ক্লোসোউস্কি। খুনগুলো সংগঠিত হবার সময় সে নাপিতের কাজ করত হোয়াইট চ্যাপেলে। ১৮৮৯ সালে চ্যাপম্যান গিয়েছিল আমেরিকা আর ১৮৯২ সালে লন্ডনে ফিরে আসে। পরবর্তী দশ বছরে বিষ প্রয়োগে হত্যা করে তিন মহিলাকে কোন উদ্দেশ্য ছাড়া, শুধু স্যাডিস্টিক আচরন চরিতার্থ করার জন্য। চ্যাপম্যানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছিল ১৯০৩ সালে, আর রিপারের হত্যাকান্ডে নিয়োজিত চীফ ইন্সপেক্টর ঘোষণা দিল চ্যাপম্যানই ছিল রিপার।
রিপারের পরিচিতি বিষয়ে এক তত্ত্ব পেশ করেন ডোনাল্ড ম্যাককরমিক তার “দ্য আইডেন্টিটি অভ জ্যাক দ্যা রিপার” বইতে। ম্যাককরমিক বলেছেন যে, ১৯১৭ সালে খুন হওয়া আর এক রহস্যময় চরিত্র “রাশ পুতিন” এর কাগজ পত্রের মধ্যে একটি দলিল দাবী করছে যে রিপার ছিল এক খুনে উন্মাদ, যাকে জারের পুলিশরা লন্ডনে পাঠিয়েছিল শুধু ইংরেজ পুলিশকে হতবাক করার জন্য। ম্যাককরমিক অনেক প্রমাণ উদ্ধার করে পূর্ব লন্ডনে বসবাসরত রুশ অভিবাসীদের সাথে একটা যোগসূত্র আবিষ্কারের চেষ্টা করেছে, বিশেষ করে পেদাচেঙ্কো নামে এক নাপিত সার্জেনের সাথে। কিন্তু এখনও কোন নিশ্চিত প্রমাণ এবিষয়ে দেয়া সম্ভব হয়নি।
জ্যাক দ্যা রিপারের নামে অনেক উড়ো চিঠি আসতে থাকে পুলিশের কাছে। এর মধ্যে একটার নিচে লেখা ছিল Jack The Ripper রিপার শব্দের অর্থ ফেড়ে ফেলা। তারপর থেকেই এই নামেই পরিচিত হতে থাকে এই সিরিয়াল কিলার। জ্যাক দ্য রিপার নামের আগে “Leather Apron” আর “Whitechapel Murderer” নামে পরিচিত ছিল।
The Fifty Most Amazing Crimes Of The Last 100 Years বই এ একমাত্র তারই কোন ছবি নেই। এই রহস্যময় সিরিয়াল কিলারকে নিয়ে তাই মানুষ এখনো জানতে আগ্রহী। তাই তাকে নিয়ে হয়েছে অসংখ্য গবেষণা, তথ্যচিত্র আর চলচ্চিত্র। তাকে নিয়ে গবেষণাকে রিপোরোলজি নামে আখ্যা দেওয়া হয়।
ইতিহাসের রহস্যময় একটি চরিত্র হিসাবে এখনো গণ্য হয় এই সিরিয়াল কিলার জ্যাক দ্যা রিপার কে।






মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন